মুক্তিযোদ্ধারা জাতির বীর সন্তান, এই গর্বের জায়গাটা কেউ স্পর্শ করতে পারবে না - মঠবািড়য়া সমাচার

শিরোনাম

Post Top Ad

Sunday, 8 December 2019

মুক্তিযোদ্ধারা জাতির বীর সন্তান, এই গর্বের জায়গাটা কেউ স্পর্শ করতে পারবে না


নিজস্ব প্রতিনিধিঃ গন গণপূর্ত মন্ত্রী শ. ম রেজাউল করিম এমপি বলেছেন, মুক্তিযোদ্ধারা জাতির গর্ব, জাতির গৌঁরব, জাতির অহংকার। মুক্তিযুদ্ধ দ্বিতীয়বার আসবে না। অনেকের লক্ষ কোটি টাকা হতে পারে, মন্ত্রী হতে পারে, এমপি হতে পারে, প্রধানমন্ত্রী হতে পারে, রাষ্ট্রপতি হতে পারে কিন্তু একজন মুক্তিযোদ্ধা হওয়ার সুযোগ নেই।
ফলে মুক্তিযোদ্ধারা জাতির বীর সন্তান। এই গর্বের জায়গাটা কেউ স্পর্শ করতে পারবে না। এমন একটি অনন্য উচ্চতায় আপনারা অধীষ্টিত আছেন, আপনাদেরকে শ্রদ্ধা জানাতে বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য যত প্রকার সুযোগ-সুবিধা দেওয়া প্রয়োজন সেগুলো দিয়ে যাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার লক্ষ রয়েছে মুক্তিযোদ্ধার পরিবার, তার সন্তান এমনকি তাদের উত্তরসূরীরাও যাতে রাষ্ট্রের সকল সুবিধা পেতে পারেন সেজন্য সবকিছু তিনি নিশ্চিত করবেন। ত্রিশ লক্ষ শহীদ ও দুই লাখ মা-বোনের সম্ভ্রম ও মূল্যবান সম্পদ ইজ্জত বিলিয়ে দেবার মধ্য দিয়ে লাল-সবুজের এই বাংলাদেশকে আমরা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছি। তাই তাদেরকে বিন শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি।

রোজপুর হানাদার মুক্ত দিবস উপলক্ষে স্বাধীনতা মঞ্চ উদ্বোধন শেষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।মন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুর রক্ত যার ধমনীতে বহমান, বঙ্গবন্ধুর ডাকে যারা মুক্তিযুদ্ধে সাড়া দিয়েছিলেন, তাদেরকে উজার তরে ভালবাসা, অবনত চিত্তে শ্রদ্ধা করা কেবল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই পারেন। অন্য কেউ নয়।শ. ম. রেজাউল করিম বলেন, কোন বিদেশী শক্তি, কোন বড় রাষ্ট্র বা কোন ক্ষমতাধর শেখ হাসিনাকে অবনমিত করতে পারবে না। রক্তের উত্তরসূরী, আদর্শের উত্তরসূরী শেখ হাসিনা আজকের বাংলাদেশকে উন্নয়নের মহাসড়কে নিয়ে আসছেন। আজকে অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা শিক্ষায় কোথাও কোন অভাব নাই। একটা লোক ক্ষুধার্ত নেই, একটা শিশু স্কুল থেকে ঝড়ে পড়ছে না।
গোপাল কৃষ্ণ টাউন ক্লাব মাঠে নবনির্মিত স্বাধীনতা মঞ্চ আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠানে আরোও বক্তব্য রাখেন, মহিলা এমপি শেখ এ্যানী রহমান, পৌর মেয়র মো. হাবিবুর রহমান মালেক, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট এম এ হাকিম হওলাদার, মুক্তিযোদ্ধা গৌতম চৌধুরী প্রমুখ। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক আবু আলী মো. সাজ্জাদ হোসেন। আলোচনা সভা শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।





মুক্ত দিবস উপলক্ষে বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা সামছুল হক খান, হাবিুবর রহমান সিকদার এবং মতিউর রহমানকে বিশেষ সম্মাননা দেয়া হয়।এর আগে সকাল সাড়ে ৯টায় শহরের ভাগিরথি চত্বরে স্থাপিত শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পূষ্পার্ঘ অর্পন করার মধ্য দিয়ে দিবসটির সূচনা হয়। পূষ্পার্ঘ অর্পন শেষে একই স্থান থেকে আনন্দ শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে গোপাল কৃষ্ণ টাউন ক্লাব চত্বরের স্বাধীনতা মঞ্চে এসে শেষ হয়।

No comments:

Post a comment

Post Top Ad

Responsive Ads Here