পরমাণুকাব্য, এ এক বিস্ময় - মঠবািড়য়া সমাচার

শিরোনাম

Post Top Ad

Thursday, 9 January 2020

পরমাণুকাব্য, এ এক বিস্ময়

রাজীব বিশ্বাস লেখক ও সংগঠকঃ সাহিত্য এক বৃহৎ ভান্ডার। এ ভান্ডারের অংশ বাংলা সাহিত্য, এরও আছে বিপুল ভান্ডার।লক্ষ্যে-অলক্ষ্যে অসংখ্য শিল্পী নিপুণ হাতে এ ভান্ডার ঋদ্ধ করে যাচ্ছে। তবে বোধকরি অলক্ষ্যেই বেশি। আর এরকম অলক্ষ্যেই কবিতা, অনুকবিতা, হাইকুর পথ পরিক্রমায় এক বছর হতে চললো যুক্ত হয়েছে পরমাণুকাব্য। এই কবিতা অনেকটা জাপানী হাইকুর বাংলা আদলের মতনই। তবে এর গঠন,বৈশিষ্ট্য ও ধরন সম্পূর্ণ আলাদা। প্রশ্ন জাগতেই পারে সেটা কেমন করে? সুনীলের কাকাবাবু চরিত্রের কথা কোট করে বলা যায় "টিকটিকি আর ডাইনোসর সমগোত্রীয় হলেও এক না।" এখন কে টিকটিকি আর কে ডাইনোসর সে বিতন্ডা অনর্থক। হাইকু আর পরমাণু দুটোই টিকটিকির আকারে ডাইনোসর! সাহিত্যে যেহেতু এই কাব্যের সংযুক্তি নতুন তাই এর লেখক সংখ্যাও কম। হাতেগোনা কয়েকজন লিখছেন পরমাণুকাব্য।এ অবধি বিস্ময়ের কিছু নেই,কিন্তু বিস্ময়কর হলো পরমানুকাব্যের ভান্ডারে এই  এক বছরেই যুক্ত হয়েছে প্রায় ৮০০ এর মতন কবিতা। যা বিস্ময়ের জন্ম দেয় বৈকি! এখানেই শেষ নয় পরমাণুকাব্যের প্রবক্তা কবি সুশান্ত পোদ্দার যার একারই আছে ৩৫০ টির মতন কবিতা! যা নিঃসন্দেহে বিস্ময়ের।পরমাণুকাব্য সম্পর্কে সংক্ষেপে বলতে গেলে; তিন লাইনের অতিক্ষুদ্র কবিতা পরমাণুকাব্য। প্রতি লাইনে পূর্ণ ভাব সম্বলিত এ কাব্যের তিনটি লাইন মিলে প্রকাশ পায় একটি পরিপূর্ণ ভাবনা। নিরীক্ষার প্রয়োজনে এ পর্যন্ত পরমাণুকাব্য নিয়ে প্রকাশিত হয়েছে তিনটি ভাঁজপত্র। ক্রমাগত নিরীক্ষা ও চর্চা সাহিত্যকে করুক সমৃদ্ধ; সাহিত্যকে পৌঁছে দিক পৃথীবির কোনে কোনে। 

No comments:

Post a comment

Post Top Ad

Responsive Ads Here