মঠবাড়িয়ার দাউদখালী ইউনিয়নে ১২ টি বানিজ্যিক ইট পাজা স্হাপন - মঠবািড়য়া সমাচার

শিরোনাম

Post Top Ad

Thursday, 19 March 2020

মঠবাড়িয়ার দাউদখালী ইউনিয়নে ১২ টি বানিজ্যিক ইট পাজা স্হাপন

মঠবাড়িয়া প্রতিনিধিঃপিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার ৪ নং দাউদখালী ইউনিয়নে গড়ে উঠেছে ১২টি বানিজ্যিক ইটের পাজা।ইট পাজার মালিকগন অনুমোদনবিহীনভাবে ইটের পাজা স্হাপন করে জ্বালানী কাঠ দিয়ে অবৈধভাবে ইট পুড়িয়ে আসছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।খোঁজ নিয়ে জানা গেছে,পরিবেশ সংরক্ষন আইনের তোয়াক্কা না করে উপজেলার দাউদখালী ইউনিয়নের খায়ের ঘটিচোরা গ্রামের আল মামুন ও ছগির মিয়ার ২টি সহ মোট ৩টি, বড় হারজি গ্রামের সেকান্দার চেয়ারম্যান বাড়ির দক্ষিন পার্শ্বে ১টি, হারজি নলবুনিয়া গ্রামের আনিস মোল্লা,রশিদ জোমাদ্দার,শহিদুল মেম্বরের ১টি করে,  জাফর মিয়ার বাড়ি সংলগ্ন ১টি সহ মোট ৫টি,৯নং ওয়ার্ড পাঠাঘাটা গ্রামের ইলিয়াস মাতুব্বর,কবির মল্লিক,চুন্নু হাওলাদার ও মোশারফ মিয়ার ১টি করে মোট ৪টি সর্বমোট দাউদখালী ইউনিয়নে ১২টি ইট পাজা রয়েছে।ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্হাপন (নিয়ন্ত্রন) (সংশোধন) আইন, ২০১৯ এর ৪ নং ধারা অনুযায়ী,"ইট ভাটা যে জেলায় অবস্হিত সেই জেলার জেলা প্রশাসকের নিকট হইতে লাইসেন্স গ্রহন ব্যতিরেকে কোন ব্যক্তি ইট ভাটা স্হাপন ও ইট প্রস্তুত করিতে পারিবে না।"২০১৩ সনের ৫৯ নং আইনের ধারা ৪ক (সন্নিবেশিত) অনুযায়ী, "ইটভাটা ব্যতীত অন্য কোনরূপ ইটভাটা পরিচালনা কিংবা চালু করা যাইবে না।"অর্থাৎ ইট পাজা স্হাপন করা যাইবে না।২০১৩ সনের ৫৯ নং আইনের ধারা ১১ এর প্রতিস্হাপনে বলা হয়,"যদি কোন ব্যক্তি ৪ বা ৪ক লঙ্ঘন করিয়া কোন ইট প্রস্তুত বা ইটভাটা স্হাপন, পরিচালনা বা চালু রাখেন তাহা হইলে তিনি অনধিক ২ (দুই) বৎসরের কারাদন্ড বা অন্যূন ২০ (বিশ) লক্ষ টাকা অর্থদন্ড বা দন্ডে দন্ডিত হইবেন। "এলাকাবাসী জানায়,"জনবসতি এলাকায় ইট পাজা স্হাপন করায় ওই এলাকার স্বাভাবিক জীবন যাপনে বিরূপ প্রভাব পড়েছে।মানুষের শ্বাস কষ্টসহ বিভিন্ন দূরারোগ্য ব্যধিতে আক্রান্ত হওয়ার আশংকা রয়েছে।"স্হানীয় দফাদার আব্দুল গনি জানান,"সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আমাদের কাছ থেকে প্রতিবছরই তথ্য নেন।তবে কেন তথ্য নেন তা আমাদের জানা নেই।" স্হানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ফজলুল হক খান রাহাত জানান,"ইট পাজা বন্ধ করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ব্যবস্হা নিলে আমরা অবশ্যই সহযোগিতা করব।"

No comments:

Post a comment

Post Top Ad

Responsive Ads Here